পাগলা তোর সঙ্গে (অনুসরণে জয় গোস্বামী) ★ সুপর্ণা ঘোষ

পাগলা তোর সঙ্গে যা ইচ্ছে তাই জীবন কাটাব পাগলা তোর সঙ্গে দূরে দূরেই কাটাব জীবন, তুই তার বাম গালে কানের পাশে চুল সরাবি ওর হাঁসিতে মিশে গিয়ে ঢলে পরবো তোর গায়ে। পাগলা তোর সঙ্গে না কথা বলা জীবন কাটাব পাগলা তোর সঙ্গে ডাইরির ভাঁজে কাটাব জীবন রং তুলি নিয়ে মাখা মাখি তোকে অতর্কিতে জাপ্টে ধরবো … Read more

আহ্লাদী

আহ্লাদী

কিরে আজ ট্রেনে খুব ভিড় ছিল? ফোন রিসিভ করেই সোম এর প্রথম প্রশ্ন। দুবেলা ছোটো খাটো দুটো বিশ্বযুদ্ধ করে অফিস যাওয়া ও ফেরা রাই এর ডেলি রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোন রকমে ট্রেন থেকে নেমে সোম কে কল করেই সে হাটা দেয় বাড়ির পথে। কথা বলতে বলতে কখন রাস্তা টুকু হেঁটে পার করে ফেলে, বোঝারা আগেই … Read more

মনে আছে সেই পাইন বাগান

মনে আছে সেই পাইন বাগান ! যেখানে তুই আদর করে নাম দিলি এই পাগলী টাকে! হাঁটুর উপর বসে তোকে বলতে হবে ,জেদ ধরলি ওরে পাগল, তুই তো আমার এক পৃথিবী, বুকের মাঝের মস্ত জমি,প্রাসাদ সম ঘর গোরলি। সুপর্ণা ঘোষ (১০ অক্টোবর ২০১৭)

বন্ধু তুমি

বন্ধু তুমি মনের মাঝে একটু জায়গা রেখো বন্ধু তুমি দিনের শেষে কিছুটা সময় থেকো। তোমার নামের উড়ো চিঠি যত্নে আছে রাখা, বন্ধুত্ব দিব্বি আছে আদর দিয়ে মাখা। সুপর্ণা ঘোষ (১০ অক্টোবর ২০১৭)

কেন তুই এমন হলি

কেন তুই এমন হলি! বুকের মাঝে ছোট্ট কোনে হঠাৎ করে মিশে গেলি! হাসি কান্না শব্দ দুটো এখন খালি সময় গোনে সকাল বিকেল কাজের ফাঁকে লুকিয়ে তোর গল্প শোনে সুপর্ণা ঘোষ (১০ অক্টোবর ২০১৭)

ঐ, তুমি কি আমার বউ হবে!

ঘুম ভাঙলো ফোনের আওয়াজে, কলটা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে শ্রী এক নিঃশ্বাসে বলে গেল, “হতচ্ছাড়া ঘড়ি দেখেছিস উজবুক! এত ঘুম তোর? আমি রেডি হয়ে সকাল থেকে কল করেই চলেছি, এতটুকুও দায়িত্ব নেই রে,তুই কবে বড় হবি!!” রিদ্ধির একেবারে ভিমরি খাবার জোগাড় হলো, রাতে দুটো বিয়ার খেয়ে, পরপর ১৫মিনিট অন্তর অন্তর এলার্ম লাগিয়ে শুয়েছিল, ঘুমের ঘোরে … Read more

প্রণয়শলাকা ★ সুপর্ণা ঘোষ

বৈশাখের শ্রান্ত বিকেলে তুমি এলে কালবৈশাখীর মতন, তখন বুঝিনি, তোমার হাতেই হবে আমার সমস্ত সংযম এর পতন। ভাবিনি তোমার প্রতিটি সত্তায় নিজেকে ভাসিয়ে দেব কোনোদিন প্রদীপের শিক্ষার মতো স্বপ্ন বিভোর উজ্জ্বল সে চোখে হারিয়ে যাব কোনোদিন। সদ্য কৈশোরে পদার্পনরত তরুণী মনে, তুমি দিলে প্রথম প্রণয় এর ছোঁয়া, তোমাকে পেয়ে মন লাজুক উৎফুল্লে নেচে উঠেছিল ,বৃষ্টি … Read more

অন্নপূর্ণা

যামিনী রায় (১১ এপ্রিল ১৮৮৭ – ২৪ এপ্রিল ১৯৭২) হলেন একজন বাঙালি চিত্রশিল্পী। তিনি বাংলার বিখ্যাত লোকচিত্র “কালীঘাট পটচিত্র” শিল্পকে বিশ্বনন্দিত করে তোলেন। তিনি নিজে পটুয়া না হলেও নিজেকে পটুয়া হিসেবে পরিচয় দিতেই তিনি পছন্দ করতেন। সূত্র: উইকিপিডিয়া