উড়ো চিঠি
তোর নামে একদিন উড়ো চিঠি লিখবো উড়িয়ে দেব ছাদের কার্নিশে দাঁড়িয়ে। হওয়ায় ভেসে,গা দুলিয়ে ঝড়ে পড়বে আকাশ থেকে লিখে দেব যত রাগ অভিমান,হুস করে যাবে হারিয়ে। চিঠি লিখবো.. কার্নিশে দাঁড়িয়ে সুপর্ণা ঘোষ (০১/০৪/২০১৮)
তোর নামে একদিন উড়ো চিঠি লিখবো উড়িয়ে দেব ছাদের কার্নিশে দাঁড়িয়ে। হওয়ায় ভেসে,গা দুলিয়ে ঝড়ে পড়বে আকাশ থেকে লিখে দেব যত রাগ অভিমান,হুস করে যাবে হারিয়ে। চিঠি লিখবো.. কার্নিশে দাঁড়িয়ে সুপর্ণা ঘোষ (০১/০৪/২০১৮)
ছোট থেকেই চোর পুলিশ, কুমির ডাঙ্গা, লুকোচুরি এসব সন্তুর কাছে গল্পের মত। দুপুরে খাবার পর যখন পাড়ার ছেলেরা সবাই খেলতে যায়, মা তখন সন্তু কে কোলের কাছে নিয়ে একরকম জোর করেই ঘুমপাড়িয়ে দেয়। সন্তুর এতে ভীষণ আপত্তি, আরে বাবা সবার মা তো খেলতে দেয়, ওকে যে কেন মা এত আগলে রাখে! অগত্যা দিদিভাই ই ভরসা। … Read more
ভালোবাসা ততক্ষণই সুন্দর, যতক্ষণ আমরা আমাদের প্রিয় পছন্দের মানুষটিকে ভালোবাসি বলতে পারিনা। ঠিক ততক্ষণই সুন্দর ,যখন আমরা বুঝতে পারি ,সেও একি ভাবে আমাকে পছন্দ করে। দুজনের বলতে না পারা এই বুক টিপ টিপ পছন্দ করার সময়টা কে আমি ভালোবাসি। ভালোবাসি বলে দিলে ,সেটা আর ভালোবাসা থাকেনা,হয়ে যায় প্রেম। প্রেম কখনো কারোকে সুখী করেনা..
বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসের অন্যতম সেরা একটি, ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’। বইটি পড়া শেষ করার পর বিষয়বস্তু ও গল্পের কিছু চরিত্র আমার মনে ভীষণ গভীর ভাবে দাগ কাটে। তাই ঠিক করলাম গল্পটা একটু নিজের মত করে লিখে রাখি। বেশ কয়েকটি চরিত্র থাকলেও, গল্পের প্রধান চরিত্র ‘হাজারী ঠাকুর’। ইনি একজন অত্যন্ত সাদাসিধে গরিব ব্রহ্মান, যিনি নিজের স্ত্রী … Read more
প্রেমিকা, বৌ বা বান্ধবী, সব নিয়ে মেয়েরা নাকি ভয়ানক সন্দেহ বাতিক। আমাদের মেয়েদের জীবনের বেশির ভাগ সময়টাই কেটে যায় চারটে দেওয়াল আর কয়েকটা মানুষ কে ঘিরে। তার এই ছোট্ট সাম্রাজ্যের একমাত্র সম্পদ তার প্রেমিক বা স্বামী। মেয়েটি যতই স্বাধীনচেতা, স্বনির্ভর হোক না কেন, তার সব থেকে দুর্বল নরম জায়গাটা আপনি জুড়ে আছেন। তাই রাগ অভীমান, … Read more
ঘুম থেকে উঠে সবাই চা খায়, কিন্তু সন্তু কে কেউ জিজ্ঞাসাও করেনা। বাচ্চা বলে কি ওর চা খেতে মন চাইনা! গল্পটা এক খুদে ছেলের। বাবা মা ঠাম্মি আর দিদিভাই নিয়ে তার ছোট্ট সংসার। ঠাম্মার কাছে গল্প আর মায়ের সাথে রান্না ঘরেই কাটে সারাটি দিন, তারপর দিদিভাই স্কুল থেকে ফিরলে রান্না বাটি আর পুতুল খেলা। চা … Read more
আজ সকালে অফিস আসার পথে, মেট্রোতে উঠে হটাৎ আমার সত্যজিৎ রায় এর জীবনি পড়তে ইচ্ছে হলো। ফোন খুলে google করলাম সত্যাজিৎ রায়। যেমন ভাবা তেমন কাজ। উইকিপিডিয়া খুলে পড়া শুরু। কিছুটা পড়ার পর একটি লাইনে আমার চোখ গেল আটকে। সত্যজিৎ রায় এর পথের পাঁচালী, অপরাজিত ও অপুর সংসার– এই তিনটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র কে একত্রে ‘অপু-ত্রয়ী’ … Read more
পেরামাউন্ট, আশ্চর্য একটি সরবতের দোকান, যেখানে খালি সরবত বা পানীয় ছাড়া আর কিছুই নেই। কলেজ স্ট্রিটে একটি কাজে গিয়ে, উত্তর কলকাতার বিখ্যাত দোকানটি চোখে পড়লো হটাৎ করে। ভিতরে বেশ জমজমাট ভিড়। ভেতরে ঢুকে মেনু কার্ড এ চোখ পরতেই দেখি ৯০ আর ১০০ ছাড়া তার নিচে আর কিছু নেই। ভারী আশ্চর্যের কথা, ভারী তো আমার সরবত, … Read more
আমার তোর মতো একটা বুক চাই, হটাৎ করে ঝুপ করে লুকোচুরিতে মাতবো। আমার তোর মত একটা লোক চাই, রান্নাবাটি খেলনাপাতি ছোট্ট ঘর বাঁধবো।। সুপর্ণা ঘোষ (১০/০৩/২০১৮)
-তোমার মধ্যে অনন্তকাল বসবাসের ইচ্ছে, তোমার মধ্যেই জমিজমা ঘরবাড়ি। আপাতত একতলা.. হাসছো কেন? বলো হাসছো কেন? -একতলা আমার এক বিন্দু পছন্দ নয়, সকাল সন্ধ্যে চাঁদের সাথে গপ্পো গুজব; তেমন উঁচু নাহলে আবার বাড়ি নাকি? -আচ্ছা তাই হবে। চাঁদের গা ছুঁয়ে বাড়ি, রহস্য উপন্যাসের মতো ঘোরানো প্যাচানো সিঁড়ি! বাঁকে বাঁকে সোনালী সাজানো স্বপ্নদৃশ্য। শিং সমেত মায়া … Read more
ধরো কাল তোমার পরীক্ষা,রাত জেগে পড়ার টেবিলে বসে আছ, ঘুম আসছে না তোমার হঠাত করে ভয়ার্ত কন্ঠে উঠে আমি বললাম- ভালবাস? তুমি কি রাগ করবে? নাকি উঠে এসে জড়িয়ে ধরে বলবে, ভালবাসি, ভালবাসি । ধরো ক্লান্ত তুমি, অফিস থেকে সবে ফিরেছ, ক্ষুধার্ত তৃষ্ণার্ত পীড়িত । খাওয়ার টেবিলে কিছুই তৈরি নেই, রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে ঘর্মাক্ত … Read more
চেনা বসন্তের সেই অচেনা দিনের শেষে মেটে আবির যেন দুহাতে, দুগালে মেখে। চোখ বুজে আমি চলি,ঘ্রাণে পলাশের রেশ একটি মানুষ খুঁজি, তবু সেই ছদ্মবেশ। আকাশের বুকে মেঘ,জোৎস্নার চাঁদ বুকে কিছু বুক ফাঁকা রয়, ভরেনা অলীক সুখে। জীবন অনেক বড়,জড়সড় হয়ে রয়, ফল্গুর মত স্রোত যন্ত্রনা নিয়ে বয়। তবু চলি ,কথা বলি ,সুখ খুঁজি মনরে মেতে … Read more